Who would you call Avatar? Is Avatar a different species between God and man? Or does it come from within the human being? When does Avatar come?

When there is a social crisis, the common people become completely still & silent. They can’t react, not even verbally protest. They are silent spectators and only watch the events unfold. This is called the Bystander Effect. The crowd waits for an avatar to come and solve the social crisis & remove the injustice and immorality of the society. That’s when avatars came into being.

Some of our unfulfilled desires, some ideals, some needs, lie dormant in our subconscious mind, which for us could not be realized. When we see those latent emotions being realized in or by someone, we develop a human bond with those characters and we grow emotionally through those characters (whether real or fictional). Those characters become the characters of our avatar and avatars do the things that we wanted to do, but couldn’t.

But avatars are also flawed. They also struggle with their doubts and fears constantly, just like normal people. Nevertheless they reach their goal. As readers or viewers, we see them grow, succeed in their roles. Then we also think about growing up like them. Through their success we forget the pain of failure in our life. According to the tone of the story, we try to understand the thoughts of the story, to feel their emotions and to understand their challenges, according to certain archetypes.

Great civilizations rise to the pinnacle of prosperity at the hands of a ‘Meta Avatar’. ‘Meta’ means Most Effective Tactic Available, META. A ‘Meta Avatar’ embodies all his qualities and shines as a beacon for mankind. He goes through intense pain and overcomes it with courage and endurance. He speaks the fundamental truth of creation and radiates divine energy among all. As Western civilization found in Jesus Christ, a ‘meta-incarnation’ Jesus became an ordinary man, took great pains in his body for his fellow man and forgave his oppressors. Jesus ascended to the highest level with his own life and western civilization was also developed by his hands. The current decline of the West is also due to the disconnection of this ‘Meta Avatar’ with the collective consciousness of the West.

We fond from Lord Sri Ramakrishna speakings, He was born in a very simple house and lived a very simple life. It is clear from his life story that he was not very good at reading and writing as a child, and used to waste his time by playing sports and sing village songs like other children. His elder brother worked in Kolkata. He took his brother with him so that he could run his family by doing some small work. But he didn’t feel like doing anything. As he was from the Brahman family, he is said to have worship Maa Bhavatarani, the mother of Dakshineswar. He was so liberal minded that everyone else thought that even mother’s worship could not follow the rules properly. In fact, he used to worship Maa Bhavatarani as his own mother. It was not liked by everyone else. So, he wasn’t allowed to worship the mother. That day, his elder brother said, “Brother, you can’t feed yourself even by worshiping?” Then Sri Ramakrishna Dev ran to his mother’s feet and began to say only one thing, “Mother, you have made me so vile that even after worshiping you, I cannot feed my stomach? Won’t you take my worship, mother? Do take my worship. Will you not eat, mother. Look, I’m eating, You too eat.” At that time Sri Ramakrishna Deva’s soul was connected with the Supreme Soul. The rest is known to all of us. Then it was understood that the avatars originate from ordinary people.

In Indian civilization, there is no more complete ‘Meta Avatar’ than Sri Ramachandra. In Rama, one finds the perfect man, who faced enormous challenges in every aspect of human relations, as a son, brother, husband, father, opponent, citizen and ruler. Endured a lot of hardships and overcame all odds. Sri Ramachandra is the ‘meta avatar’ of Indian civilization.

Ramachandra of Treta, came to Dvapar as Vasudeva Krishna, in a completely different form. Ramachandra of Treta took all the sufferings on his shoulders and established Dharma. But Krishna protested the injustice by punishing the ungodly, he established religion.

An ‘Avatar’ must contain two things:

1. All the work of ‘avatars’ is for social welfare. Not for personal gain. That is, avatars are prosocial.
2. Avatars are benevolent (altruist).

The main goal of avatars is not to outdo others at any cost, but to look forward to serving others at all costs, to be zealous for a moral cause, to act without expectation of reward, knowing personal risk. Avatars shine at the right moment and can show their bravery in the face of danger or opposition. So they are special. They are rare.

Some parts of the Mahabharata may be discussed here, especially in relation to Karna. What did Karna do for the welfare of the society. Philanthropy or what? Karna used to meditate. But that is on a personal level. Karna has struggled for personal establishment all his life. Being engrossed in Duryodhana’s loyalty, remained faithful to him (Duryodhana) for life. Never once did he judge religion and non-religion. Didn’t even think about whether Duryodhana had the right to grant the kingdom. The Pandavas accepted Karna as the ruler of his kingdom.

Karna, having received statehood, paid attention to the governance of the state, could have done some social duties. He didn’t do that either. He kept himself busy in the politics of Hastinapur. He defied Arjuna in vain, blamed his own forehead, resented the society, lied, misogynistic. Common people understood that Karna was killed unjustly. Karna’s chariot wheel sat on the ground for whom? The charioteer, King Shalya, refused to lift the wheel of the chariot, who was responsible for that? What happened to the wheel of a chariot sitting on the ground? Karna used to ride in another chariot. He has done it before. Or he would fight standing on the ground. Arjuna fought the Kaurava army standing on the ground when Jayadratha was killed. He didn’t have to tell him to give him some time to lift the wheels of the chariot. Why did Karna give his shield to Indra in disguise before the war? Didn’t he know, the armor was for his only protection?

Karna’s character shows that talent alone is not enough. Talent needs proper application. The first of the four Purusharthas (dharma) was abandoned by Karna; So the end (salvation) was not attained by him. On the whole, Karna can certainly be called a celebrity, never an avatar.

As the saying goes, one bad apple spoils a basket of good apples. Likewise, a good apple, in a basket of bad apples, is spoiled. Karna was a ‘good apple’ among the Kauravas.

It proved. Good company lives in heaven, bad company destroys.

NB: The complete writing is not mine. Some parts are collected from other places.


অবতার কাকে বলবেন? অবতার কি ঈশ্বর আর মানুসর মাঝে কোনো এক আলাদা প্রজাতি? না কি মানুষের মধ্যে থেকেই অবতারের উদ্ধব হয়। অবতার কখন আসে?

যখন কোন সামাজিক সংকট আসে, তখন সাধারণ মানুষ একেবারে নিশ্চল, নিশ্চুপ হয়ে যায়। কোন প্রতিক্রিয়া, এমনকি মৌখিক প্রতিবাদটুকুও করতে পারেনা তারা। নীরব দর্শক হয়ে কেবল ঘটনা ঘটতে দেখে তারা। একে বলে Bystander Effect. জনতা অপেক্ষা করে, কখন একজন অবতার এসে উপস্থিত সামাজিক সংকটের সমাধান করবেন। সমাজের অন্যায়, অধর্ম দূর করবেন। তখনই অবতারের উদ্ভব হয়।

আমাদের কিছু অপূর্ণ ইচ্ছা, কিছু আদর্শ, কিছু চাহিদা, আমাদের অবচেতন মনে সুপ্তাবস্থায় বাস করে, যাদেরকে, আমাদের পক্ষে, বাস্তবায়িত করা সম্ভব হয়নি। সেই সুষুপ্ত আবেগগুলি কারো মধ্যে বা কারো দ্বারা যখন বাস্তবায়িত হতে দেখি, তখন সেই চরিত্রগুলোর সাথে আমাদের একটা মানবিক বন্ধন তৈরি হয়। এবং আমরা মানসিকভাবে সেই চরিত্রগুলির (বাস্তবের হোক বা গল্পের) মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠতে থাকি। সেই চরিত্রগুলিই আমাদের অবতারের চরিত্র হয়ে ওঠে। আর অবতার রা সেই জিনিসগুলিই করে থাকেন যা, আমরা করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু করতে পারিনি।

তবে অবতার ও ত্রুটিপূর্ণ হন। তারাও তাদের সন্দেহ এবং ভয়ের সাথে ক্রমাগত লড়াই করেন, ঠিক সাধারণ লোকেদের মতো। তা সত্ত্বেও তারা তাদের লক্ষ্যে পৌঁছোন। পাঠক বা দর্শক হিসাবে, আমরা দেখি, তারা তাদের ভূমিকায় বেড়ে উঠছেন, সফল হচ্ছেন। তখন আমরাও তাদের মত বেড়ে ওঠার কথা ভাবি। তাদের সাফল্যের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের জীবনের ব্যর্থতার কষ্ট ভুলি। কাহিনীর বা ঘটনার মূল সুর মানে, নির্দিষ্ট মৌল আদর্শ, (‘আর্কিটাইপ’, archetype) অনুযায়ী আমরা, কাহিনীর র চিন্তাভাবনা বোঝার চেষ্টা করি, তাদের আবেগ অনুভব করার চেষ্টা করি এবং তাদের চ্যালেঞ্জগুলিও বুঝতে চেষ্টা করি।

মহান সভ্যতাগুলি, সমৃদ্ধির শিখরে ওঠে একজন ‘মেটা অবতার’ এর হাত ধরে। ‘মেটা’ বলতে Most Effective Tactic Available, META. একজন ‘মেটা অবতার’ নিজের সমস্ত গুণাবলীকে মূর্ত করে তোলেন এবং মানুষের জন্য আলোকবর্তিকা হয়ে জ্বলে ওঠেন। তিনি তীব্র যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যান এবং সাহস ও সহনশীলতার মাধ্যমে সেই কষ্টকে অতিক্রম করেন। তিনি সৃষ্টির মৌলিক সত্যের কথা বলেন এবং সবার মাঝে ঐশ্বরিক শক্তি বিকিরণ করেন। পশ্চিমা সভ্যতা যেমন যীশুখৃষ্টের মধ্যে পেয়েছিল একজন ‘মেটা অবতার’ যীশু একজন সাধারণ মানুষ হয়ে এসে, সহ-মানবের জন্য নিজের শরীরে প্রচণ্ড কষ্ট নিয়েছিলেন এবং তার অত্যাচারীদের ক্ষমা করেছিলেন। নিজের জীবন দিয়েও উত্তুঙ্গ স্তরে আরোহণ করেছিলেন যীশু। আর তাঁর হাত ধরে পশ্চিমা সভ্যতাও গড়ে উঠেছিল। পশ্চিমের বর্তমান অবক্ষয়টিও, পশ্চিমের সম্মিলিত চেতনার সাথে এই ‘মেটা অবতার’ এর বিচ্ছেদের কারণেই হচ্ছে।

আমরা ভগবান শ্রী রামকৃষ্ণ কথামৃত থাকে দেখতে পাই, উনি খুব সাধারণ ঘরে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং অতি সাধারণ ভাবে জীবন যাপন করতেন। ওনার জীবন কাহানি থেকে বোঝা জায় উনি ছোটবেলায় লেখা পড়ায় খুব মধা ছিলেন না খেলাধুলা আর গ্রামের গান যাত্রা করে সময় নষ্ট করতেন আর অন্য বাচ্চাদের মতো। ওনার বড় ভাই কলকাতায় চাকরি করতেন। ভাই কে সঙ্গে নিয়ে গিয়ে ছিলেন যাতে ছোটো খাটো কোনো কাজ করে নিজের সংসার টা চালাতে পারে। কিন্তু ওনার কোনো কাজে মন লাগতো না। যেহেতু উনি ব্রম্ভান পরিবার থেকে ছিলেন তাই ওনাকে দক্ষিনেস্বরের মা ভবতারানির পূজা করার কথা বলা হয়। উনি এতটাই উদার মনের ছিলেন যাতে করে আর সকলে মনে করছিল যেনো মায়ের পূজাটাও ভালো ভাবে বিধি মেনে করতে পারছিল না। আসলে উনি মা ভবতারানির কে নিজের মা ভেবে পূজা করতেন। সেটা বাকি সকলের পছন্দ হচ্ছিলো না। তাই ওনাকে মায়ের পূজা করতে মানা করা হয়েছিল। সেই দিন ওনার বড় ভাই শুধু এই কথা বলেছিল যে, “কি রে ভাই তুই পূজা করেও নিজের পেট ভরতে পারবি না?” তখন শ্রী রামকৃষ্ণ দেব ছুটে গিয়ে মায়ের চরনে পরে শুধু একটাই কথা বলতে লাগলো, “মা আমাকে তুই এতই অধম বানিয়েছিস যে তোর পূজা করেও আমার পেট চালাতে পারব না? আমার পূজা নিবিনি মা? নে না আমার পূজা নে। খাবিনি মা, খা না খা। এই দেখ আমি খাচ্ছি। তুইও খা।” ওই সময় শ্রী রামকৃষ্ণ দেবার আত্মা পরমাত্মার সঙ্গে কানেক্ট হয়ে গিয়েছিল। বাকিটা টা আমাদের সকলের জানা আছে। তা হলে এটা বোঝা গেলো, অবতার কিন্তু সাধারণ মানুষের মধ্য থেকেই উদ্ভব হয়।

ভারতীয় সভ্যতায়, শ্রীরামচন্দ্রের চেয়ে সম্পূর্ণ ‘মেটা অবতার’ আর পাওয়া যায় না। রামের মধ্যে, একজন নিখুঁত মানুষ পাওয়া যায়, যিনি মানব সম্পর্কের প্রতিটি দিকে একজন পুত্র, ভাই, স্বামী, পিতা, প্রতিপক্ষ, নাগরিক এবং শাসক হিসাবে, প্রচুর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছিলেন। প্রচুর কষ্ট সহ্য করেছিলেন এবং সমস্ত প্রতিকূলতা জয়ও করেছিলেন। ভারতীয় সভ্যতার ‘মেটা অবতার’ হলেন শ্রীরামচন্দ্র।

ত্রেতার রামচন্দ্র, দ্বাপরে এসেছিলেন বাসুদেব কৃষ্ণ হয়ে, সম্পূর্ণ আলাদা রূপে। ত্রেতার রামচন্দ্র যেখানে সমস্ত দুঃখকষ্ট নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে ধর্মপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন। দ্বাপরের কৃষ্ণ কিন্তু অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছিলেন। অধার্মিককে সাজা দিয়ে, ধর্মপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

‘অবতার’ এর মধ্যে দু’টো জিনিস থাকতে হয় :

১. ‘অবতার’দের সব কাজ সামাজিক মঙ্গলসাধনের জন্য। ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়। অর্থাৎ অবতাররা prosocial.
২.অবতাররা পরোপকারী (altruist) হন।

অবতার দের মূল লক্ষ হল যেকোন মূল্যে অন্যকে ছাপিয়ে যাওয়া নয়, বরং যেকোন মূল্যে অন্যের সেবার জন্য উন্মুখ হওয়া, কোন নৈতিক কারণ রক্ষার জন্য উদ্যোগী হওয়া, ব্যক্তিগত ঝুঁকি আছে জেনেও, পুরস্কারের আশা ছাড়াই কাজ করা। অবতাররা সঠিক মুহূর্তে জ্বলে ওঠেন এবং বিপদ বা বিরোধিতার মুখে তাদের সাহসিকতা দেখাতে পারেন। তাই তারা বিশেষ। তারা বিরল।

মহাভারতের কিছু অংশ নিয়ে এখানে আলোচনা করা যেতে পারে, বিশেষ করে কর্নের সমন্ধে। কর্ণ সমাজের মঙ্গলসাধনের জন্য কী করেছেন। পরোপকারই বা কী করেছেন? কর্ণ দানধ্যান করতেন। তবে তা ব্যক্তিগত স্তরে। ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠার জন্য কর্ণ সংগ্রাম করে গেছেন আজীবন। পাপিষ্ঠ দুর্যোধনের আনুগত্যে বিগলিতপ্রাণ হয়ে, তার (দুর্যোধন) প্রতি আজীবন বিশ্বস্ত রয়ে গেছেন। একবারও ধর্ম-অধর্মের বিচার করেননি। ভেবেও দেখেননি, অঙ্গরাজ্য প্রদান করার এক্তিয়ার দুর্যোধনের ছিল কিনা। নেহাত তার অঙ্গরাজ্যের অধীশ্বর হওয়াটা পাণ্ডবরা মেনে নিয়েছিলেন।

অঙ্গরাজ্য পেয়ে কর্ণ, রাজ্যের শাসনে মনোযোগ দিলে তবু কিছুটা সামাজিক কর্তব্য করা হত। সে’টাও তিনি করলেননা। হস্তিনাপুরের রাজনীতিতে নিজেকে ব্যস্ত রাখলেন। অর্জুনের অনর্থক বিরুদ্ধাচারণ করলেন, নিজের কপালকে দোষ দিলেন, সমাজের প্রতি বিষোদগার করলেন, মিথ্যাচারণ করলেন, নারীবিদ্বেষ দেখালেন। সাধারণ মানুষ বুঝলেন, কর্ণকে অন্যায়ভাবে বধ করা হল। কর্ণের রথের চাকা মাটিতে বসেছিল কার জন্য? রথের চাকা তুলতে সারথি, রাজা শল্য, অস্বীকার করলেন, তার জন্য কে দায়ি ছিলেন? একটা রথের চাকা মাটিতে বসে গেছে তো কী হয়েছে? কর্ণ অন্য একটি রথে চড়ে বসতেন। ইতিপূর্বে তিনি তো তা করেছেন। নয়তো মাটিতে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়েই যুদ্ধ করতেন। অর্জুন তো জয়দ্রথ বধের সময় মাটিতে দাঁড়িয়েই কৌরবসৈন্যের মোকাবেলা করেছিলেন। তাকে তো বলতে হয়নি, তাকে একটু সময় দেওয়া হোক, রথের চাকা তোলার জন্য। যুদ্ধের আগে নিজের কবচকুণ্ডল কেন ছদ্মবেশী ইন্দ্রকে দিয়ে দিয়েছিলেন কর্ণ ? তিনি কি জানতেননা, কবচকুণ্ডল ছিল তার একমাত্র সুরক্ষা?

কর্ণের চরিত্র দেখলে বোঝা যায়, কেবল প্রতিভা থাকলেই হয়না। প্রতিভার যথাযথ প্রয়োগ দরকার। চার পুরুষার্থের প্রথমটিই (ধর্ম) কর্ণ বিসর্জন দিয়েছিলেন ; তাই শেষটিও (মোক্ষ) তার লাভ করা হলনা। মোটের ওপর, কর্ণকে যশস্বী (celebrity) অবশ্যই বলা যায়, অবতার কখনোই না।

প্রবাদ আছে, একটি নষ্ট আপেল, একঝুড়ি ভাল আপেলকে নষ্ট করে দেয়। তেমনি একটি ভাল আপেলও, একঝুড়ি নষ্ট আপেলের মাঝে থাকলে, নষ্ট হয়ে যায়। কৌরবদের মাঝে কর্ণ ছিলেন একটি ‘ভাল আপেল’।

এটা থেকে প্রমাণ হয়ে গেলো। সৎ সঙ্গ সর্গ বাস অসৎ সঙ্গ সর্বনাশ।

NB: সবটাই আমার নিজের লেখা নয়। কিছুটা অংশ অন্য জায়গা থেকে কালেক্ট করা হয়েছে।


Best Regards
Samir Ghosh
Founder of ManthanIndia
Mob: 8617277515

Ayan Ghosh
Co-founder of ManthanIndia
Mob: 9038255757




Leave A Comment